ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet বিয়ের আগের রাতেই মাদকসহ আটক বর Headline Bullet পুলিশের লোকের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাপ দেয় তাহসিফ আমি পালিয়ে আসি Headline Bullet পুলিশের চাকরিতে থাকা অবস্থায় আইনজীবী সমিতির সদস্যপদ সক্রীয় থাকায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ Headline Bullet আলমডাঙ্গায় পুলিশের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেফতার করেছে তিন জনকে Headline Bullet মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অভিযানে ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ আটক Headline Bullet মহেশপুরে ১২৫ পিস ইয়াবাসহ আটক এক Headline Bullet গাংনীতে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার এক Headline Bullet গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা,স্বামী শ্বশুরী পলাতক Headline Bullet কুড়িগ্রাম সদরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর Headline Bullet রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ার অনুমোদন

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে ১৪ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ


রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লী থেকে ১৪ কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
(২০ জানুয়ারি) বুধাবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রাজবাড়ী পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান।

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) যৌনপল্লী থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন এক খদ্দের। পরে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ, আব্দুল্লাহ আল তায়াবীরসহ পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পল্লীর নাজমা বেগমের বাড়ি থেকে ৩ জন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে একই বাড়ির একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আরও ১১ জন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, উদ্ধার কিশোরীরা বিভিন্ন সময় পাচার চক্রের মাধ্যমে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে আসে। সেখানে তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছিল।

এম এম শাকিলুজ্জামান আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া কিশোরীদের আদালতের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। কারো নাম-পরিচয় শনাক্ত না হলে তাদের সেফ হোমে পাঠানো হবে।

উদ্ধার হওয়া একাধিক কিশোরী জানায়, ভালো চাকরি ও বেতনের প্রলোভনে তাদের যৌনপল্লীতে বিক্রি করা হয়। ঠিক মতো খাবার দেয়া হতো না। কিছু বললে বাড়িওয়ালি নাজমাসহ তার সহযোগীরা অমানবিক নির্যাতন চালাত। এখন আমরা বাড়িতে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যেতে চাই।

তারা আরও জানায়, জোর করে তাদের দেহব্যবসা করানো হতো। খদ্দের থেকে যে টাকা পেত, সে টাকা বাড়িওয়ালি নিয়ে যেত। বকশিশের টাকা দিয়ে জামা-কাপড় কিনতেন তারা। বাড়িওয়ালিসহ অন্যরা ভালো খাবার খেলেও তাদের দেয়া হতো পচা খাবার।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাহউদ্দিন, ডিআইও-১ সাইদুর রহমান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর, সদর থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার, ডিআইও-২ প্রাণবন্ধু চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।


     এই বিভাগের আরো খবর